Primary School Dropouts in Bangladesh

school dropouts.png

Teaching Engineering Mathematics in the class: where problem lies?

One of many reasons why students go for engineering is being good at math. But, how math is connected? If a high school students tries to find the answer without taking the help of Internet, it would have been hard.

Actually same goes for many other subjects, how you know what will come more handy, later in your education/general life? This used to puzzle me while being in Bangladesh. I had the presumption that in the United States this is different. Actually it is not.

Unlike in Bangladesh, most take classes depending on their interest. But often times in becomes hard to picture the relevance of a topic within the subtle degree, how it will be beneficial to the real life/or career.

Mathematics is crucial for engineering, and their should be sessions in the very beginning of freshmen year,  giving the overall idea amount of math one needs to go through. Same for other subjects. Which may increase the load for universities but it can stop some of the unfortunate dropouts.

Telegraph reports in highest dropout in UK is in Computer Science and Engineering. As an engineering myself, I can understand the reasons bit better than most others. For USA, I was unable to collect any specific subjectwise data. About dropouts in USA, Institute of Educational Science reports,

About 59 percent of students who began seeking a bachelor’s degree at a 4-year institution in fall 2007 completed that degree within 6 years. The graduation rate for females (62 percent) was higher than the rate for males (56 percent).

Now, let me get back to the point which made me start this article: Teaching mathematics to an Engineering class. The process should involve professors/professionals who can relate mathematics with Engineering. Mathematics courses are mandatory courses most of the times but the instructor must remember, they do not target to be mathematicians (There is nothing wrong trying to be one) they need to learn to use the knowledge in engineering. That’s it.

The possible conflict arises when discussion takes place on increasing the body of knowledge, it is required to understand every aspect of the respective and relevant field by an individual. Professors making professors, researchers—in simple. But, what percent are they compared to dropouts or people who lost interest or got frustrated?

Also, most of the cases a professional who has spent 99% of his/her team doing research, may not be the best person to teach in class to demonstrate practical relation with the theories. Engineering specially should not be such. Business, finance and some other departments usually brings renowned professionals rather than academics to talk about their work. Unfortunately, in most (Except Computer science) I have seen visiting lecturers mostly being professors of other universities.

The general system should focus on making Engineers, not creating barriers for them. I understand the traditional systems priority on increasing ‘body of knowledge’, but things need to change and change wisely. Most people get into school for a better life, better living. And they invest on it.

The Shortest-Known Paper Published in a Serious Math Journal


Euler’s conjecture, a theory proposed by Leonhard Euler in 1769, hung in there for 200 years. Then L.J. Lander and T.R. Parkin came along in 1966, and debunked the conjecture in two swift sentences. Their article — which is now open access and can be downloaded here — appeared in the Bulletin of the American Mathematical Society. If you’re wondering what the conjecture and its refutation are all about, you might want to ask Cliff Pickover, the author of 45 books on math and science. He brought this curious document to the web last week.

আমরিকা, ওপিটি ও এইচওয়ানবি

সবাই পিএইচডি মাস্টার্স করতে আমেরিকা আসতে চায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই যেকথাগুলো বলা হয় না, তা হচ্ছে শিক্ষা পরবর্তী চাকরীর কথা। চাকুরীর বাজার নিয়ে যদিও প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু ইমিগ্রান্ট হিসেবে চাকুরি পাওয়ার সম্ভাব্যতা এবং এ সংক্রান্ত নিয়ম কানুন নিয়ে তেমন কিছু চোখে পড়েনি। মোটামুটি অধিকাংশ বাংলাদেশি  F-1 ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসে, যা হচ্ছে ছাত্রত্ত ভিসা। F-1 ছাড়াও রয়েছে J-1, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে আসা ছাত্র ছাত্রীরা। বলে রাখি, F-2 ভিসায় চাকুরি করা না গেলেও, J-2 ভিসায় কাজ করা যায়। প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ৬৫ হাজার ইমিগ্রান্টকে চাকুরিতে নেয় লটারির মাধ্যমে। তবে এর মধ্যে ১০,০০০ বাদ দিয়ে রাখা ভাল, সিঙ্গাপুর আর চিলির সাথে বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি আছে, সেটার আওতায় কয়েক হাজার অভিবাসীকে চাকরিতে নেওয়া হয়। সাথে আরও ২০ হার জনের কোটা মাস্টার্স ছাত্রদের জন্য। এই ৮৫ হাজার হচ্ছে ফর প্রফিট বা মুনাফার জন্য কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থার জন্য।

নট ফর প্রফিট বা নন-প্রফিট গ্রুপের জন্য কোন কোটা নেই ( এর মধ্যে NGO University ইত্যাদি রয়েছে)। এখানে বলে রাখি, প্রতিষ্ঠান আপনার হয়ে কর্মসংস্থান ভিসার আপিল করবে। for- profit প্রতিষ্ঠানসমূহের আপিলের সময় ১ এপ্রিল সশুরু হয়। কিন্তু প্রথম সপ্তাহে মোটামুটি সব কাজ শেষ করে সবাই, ২০০৮ সালে ৫ দিনের জন্য আবেদনপত্র নেওয়া হয়েছিল। ইমিগ্রেশনে যুক্ত আইনজীবীরা সাধারণত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আপিল করার পরামর্শ  দিয়ে থাকে।  নন- প্রফিট এর জন্য কোন নির্ধারিত সময় নেই।  যেকোনো সময় আপিল করা যায়, এক মাত্র কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তা করতে পারে।  লটারির ফলাফল দিতে প্রায় অক্টোবর মাস পর্যন্ত সময় লাগে। এবং নিয়োগের সম্পূর্ণ  কাজ শেষ করতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লাগে। ১লা অক্টোবরের আগে কর্মসংস্থান ভিসায় কাজ করা যায় না।

কোম্পানি চাইলেই যে লটারিতে যাবে তা নয়। কোম্পানিকে নিম্নলিখিত জিনিসের ব্যবস্থা করতে হবে –

১। প্রথমে দেখাতে হবে আপনার যোগ্যতা সম্পন্ন লোক যুক্তরাষ্ট্রে নেই।

২। সকল ফর্ম কোম্পানি কর্তৃক পূরণ ও দাখিল করতে হবে।

৩। মাস্টার্স বা ব্যাচেলর পর্যায়ের চাকুরিতে পিএইচডি যোগ্যতাসম্পন্ন কাউকে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

৪। পুরো প্রস্তুতিতে কোম্পানিকে প্রায় ২৫০০ ডলার খরচ করতে হবে।

আরও জানতে পারবেন লিঙ্ক এক এবং দুইতে

এখন সমস্যা সমূহের কথা বলা যাক। প্রথমত  প্রতিষ্ঠান চাইলেই আপনাকে নিতে পারবে না। পুরো বিষয়টির পূর্বে প্রস্তুতির ব্যাপার আসে। বড় কোম্পানি ( উদাহরণ ইন্টেল) হলে ভিন্ন কথা, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের কোন নিয়োগ হলে অন্য কথা।  ছোট কোম্পানিগুলো এজন্য অনেকক্ষেত্রে নিয়োগ দিতে চায় না।

দ্বিতীয় চাকরি না পেলে কি করবেন? যদি দেশে চলে যেতে না চান তবে ওপিটি (optional practical training) এর আওতায় ১২ মাস (স্টেম বিষয়ের ক্ষেত্রে ২৯ মাস) কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পাস করার ন্যূনতম দুই মাস আগে এর জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

এখানে একটা বিষয় মাথায় রাখা দরকার। ওটিপি এমন সময়ে শেষ করার উচিত যাতে তা কোনভাবে অক্টোবরের আগে না হয়। কারণ আপনি এইচওয়ানবি ভিসায় কাজ করতে পারবেন ১লা অক্টোবর থেকে।

পরের সমস্যা আপনাকে নিয়োগের সময় নিয়োগকর্তাকে দেখাতে হবে সেই পদে নিয়োগ দেবার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতাসম্পন্ন কেউ নেই। পরের বিষয় মাস্টার্স পাস করা কোন পদের জন্য পিএইচডি লাভকারী কাউকে নেওয়া যাবে না।


ওপিটি এর কথায় একটু আসা যাক। ওপিটিতে থাকা অবস্থায় চাকুরি থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। ১২ মাস অথবা ২৯ যেকোন ক্ষেত্রেই মোট ৬০ দিন বেকার থাকা যাবে। এটা সর্বমোট হিসাব। যদি চাকরি না পান তবে সেক্ষেত্রে আপনি চাকরির চেষ্টা করছে সে সংক্রান্ত কাগজ সাথে রাখতে হবে (ঊদাহরণঃ চাকরির আবেদন, ইন্টারভিউ এর ইমেল ইত্যাদি)। ওপিটি মূলত দুই ধরনের পড়ালেখা করা অবস্থায় এবং পাস করার পরবর্তী সময়ে। কিন্তু মোট সময় হিসাব হবে সবসময় ১২ বা ২৯ মাস। সাময়িক বা পার্টটাইম হলে সময় অর্ধেক হিসাব করা হয় অর্থাৎ যদি পার্টটাইম ৪ মাস হয় তবে দুই মাস হিসাব করা হবে। নাকি থাকবে ১২ মাস। এই দুই মাস পাস করার আগে হোক আর পরে হোক মূল ওপিটি থেকে বাদ যাবে যা কিনা ১২ মাস বা ২৯ মাস।

ওপিটি নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে লিঙ্ক এক, দুই, তিনচারে ক্লিক করতে পারেন।

এইচওয়ানবি ভিসাতে কোটার আবার বিভিন্ন ক্যাটেগরী আছে, তা ব্যাখ্যা পরবর্তীতে করবো আপাতত লিঙ্ক দিয়ে রাখছি। এই লিঙ্কে পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক প্রকাশিত মাসিক ভিসা বুলেটিন। এছাড়াও এইচওয়ানবি সম্পর্কিত সরকারি ওয়েবসাইটে অন্যান্য তথ্য পাবেন।

non profit থেকে profit, profit থেকে non-profit ভিসায় যাবার ঝামেলা রয়েছে। সেসম্পর্কে বিস্তারিত অন্য একদিন। এই পোস্টটি আগামী সপ্তাহে সম্পাদনা করা হবে।

Interseliger 2014: A lively gathering of 4000 people including 800 International participants

I have never camped before, not with 4000 people together!

This week has been amazing as I have been traveling inside the Russia. This year, I have been invited along with 800 international participants to be part of interseliger 2014, an event going on for the last 5 years. From Bangladesh there are 4 invitees, of which 3 came to the place. 

The atmosphere is incredible, though it is a lot hot than I expected. For 6 days, international participants will learn about Russian culture, their ways and other educational forms. 

The first day was insightful as AIESEC president Vinicius Tsugue and UN youth Envoy  Ahmad Alhendawi talked came to share their enthusiasm and joy. There was a global village organized by the OCs where different countries presented their culture. 

In the second day, I chose PR and media for Lecture and it was a good one as you can see. 

I will try to keep posting,as the rules are stricts about class and time for shower, eating, charging devices is limited. 

Water: What to consider?

[Prepared for a brief]

As I stand here in front of my contemporaries, I believe we are here to talk about one of the two core issues that the fate of the countries in 21st century will depend on—water. We often hear that “the third world war will be about water.” I often fear that it will be a reality for the third world nations. As we lag behind in natural resource and energy sources, sustainable source of water is a key concern for our countries.

Finding the source of fresh water and managing it—is a core issue, I feel specially for African countries. But what is surprising is the fact that most of the countries have policies and strategies regarding water and sanitation. But unfortunately, none of the instruments fully cover the ground reality as often those are made based on standard policies of developed world. The scenario is different in case of low and middle income countries. An example of such occurred in 1992, when nations of the world came up with their environment policies at Rio where each and every policy presented was illustrating a bright future. But few years later we found the implementation was tough at it met little of the ground reality.

Environment and women are linked like a chain to each other. Development of one can certainly be the reason of upholding the situation of the other and vis-à-vis. In the arena of water, it is the women, who play, nevertheless, a key role of associating the water with the human world. Therefore, we really need to understand the dynamics of the inner affiliation between women and water. Most framed Water Policies are not generated in gender sensitive manner and there are evident flaws in implementation of the policies.

Corruption, cost and quality are issues that we already talked about in water sector. As researches have proved that living condition is highly correlated with water access to people, it is high time we think of sustainable, affordable and effective process for developing countries. Community awareness is necessary to provide such service and to deal with associated problems I mentioned. With awareness corruption, cost and quality can be dealt with, authorities need to provide platforms to keep people accountable. We should focus on local research as well. Sustainability of water system will vary region to region and it’s important to consider local resources as well as supply method and purification process.

So core issues, I believe are source, quality, management, cost, gender sensitivity, accountability and sustainability for the water policies. To ignore any would be a mistake in this 21st century.


UNFCCC Fellowship Programme for Small Island Developing States 2014

United Nations Framework Convention on Climate Change is offering 2 five-months fellowships to young professionals from the region who are interested in contributing to the work on climate change adaptation or on gender and youth related dimensions of climate action.

SIDS, Photo Credit: WIkimedia

Funded by Norway, the deadline to Apply is 15th July, 2014. Eligibility Criteria are:

  • Be a SIDS national;
  • Be employed by a SIDS government or governmental institution/organization;
  • Be between 24 and 35 years of age;
  • Have experience or knowledge in the areas of either climate change adaptation, or gender and/or youth and climate change;
  • Have preferably completed a Master degree, or equivalent;
  • Have good communication skills in English

The fellowship programme is not intended for students and does not provide financial support for obtaining an advanced university degree or PhD studies.

For application form, please click here.

Completed application must be sent to the following address within deadline:

Fellowship Programme
FTC/ Capacity-building and Outreach Unit
UNFCCC secretariat
UN Campus
Platz der Vereinten Nationen 1
53113 Bonn

Contact for any inquiry.