Movie Review: Wild Tales

Consequences! and life!
How do you define fate? Is it fate?
Can you calculate the course of life? Statisticians can say you can find probability of what can happen, but Relatos Salvajes will make you feel you can’t even think of the possibility.

Six different stories put together to form a astonishing film that provoked me to write a review after a long time. The stories will inspire, alarm, make you more careful and last but not the least give you hope when there is chaos in life.

An anthology at it’s best, if you start watching will glue you right away to your seat. And as one of my friends describe, “Do disconnect your internet, cause you are gonna love it.” The same and the movie, I recommend to you, the reader.

Wild Tales are wild.

http://www.imdb.com/title/tt3011894/?ref_=rvi_tt

Children of War/ The Bastard Child

 

Image

 

I would not mind putting the review line in IMDB by one reviewer , “Not many film-makers have dared to make a film on 1971’s Bangladesh war of independence, showcasing those nine long months of untold brutal killings, rapes, painful sufferings and hatred spread over the region resulting in a big genocide.”

Truly it did. The brutality is often avoided, considering the audience. But it does create the false impression of what you see and what you read. visual is always more effective, and in case of one of the worst genocide of history-it is.

To me, there is no controversy about what it reflects and portraits. A history as plain and clear as it can be. The protagonists of the film did their part. There was a delay in release as Director faced a lot of challenge in making his way out of the censor board

The IMDB rating for the film I gave is 8 as in some moments, I could not watch due to my inability to witness such brutality. But it made me realize again, what as a Nation Bangladesh has gone through for it’s freedom. 

ব্যাটম্যান বিগিন্স

ব্রুস ওয়েন। ছোটবেলায় নিজের চোখের সামনে বাবা-মাকে খুন হতে দেখে। তারপর থেকেই মা-বাবা’র খুনের জন্য নিজেকে দায়ী করে সে। ভিতরে জমে থাকে দীর্ঘদিনের প্রতিশোধের আগুন।

Batman Begins

 

এক সময় ধরা পড়ে অপরাধী এবং ১৪ বছর জেল খাটার পর রাজসাক্ষী হয় সে, শহরের বড় মাফিয়া ফ্যালকনি’র বিরুদ্ধে। ব্রুস ফিরে আসে বাবা-মা’র খুনের বিচারের আগে, কিন্তু প্রিয় বান্ধবী আসামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। ব্রুস চায় প্রতিশোধ, কিন্তু কিছু বুঝে উঠবার আগেই খুনীকে মেরে ফেলে ফ্যালকনি’র লোকেরা।

ব্রুস বান্ধবী রেচেলকে জানায় তার মনের কথা, কেন সে খুনির শাস্তি চায়।

 

 

ব্রুস জানতে বের হয় বাকি দুনিয়াটা কেমন। কেমন লাগে চুরি করতে, কেন মানুষ চুরি করে, ছিনতাই করে। ব্রুস ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।

জেলে থাকা অবস্থায় ব্রুস লিগ অব শ্যাডোস এর চোখে পড়ে। শুরু হয় ব্রুসের প্রশিক্ষণ।

“As a symbol, I am incorruptible.”

ক্রিশ্চিয়ান বেল অভিনীত ব্যাটম্যানের সিরিজের এই চলচ্চিত্রটি তার চলচ্চিত্র জীবনে নতুন এক মাত্রা যোগ করে। অন্যদিকে ব্যাটম্যান হিসেবে তার ভূমিকাই সেরা বলে প্রতিষ্ঠিত হয় এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে।

 

মাদাগাস্কার ৩: ইউরোপ’স মোস্ট ওয়ান্টেড

এলেক্স এখন বনে থাকে।

কিন্তু এলেক্সের ভাল লাগে না একটুও। নিউ-ইউর্কের কথা তার সারাক্ষণই মনে পড়ে। যখন তখন নিউ-ইয়র্কের স্বপ্ন দেখে।

এই নিয়ে সারাক্ষণ এলেক্স, মারটি, মেলমেন ও গ্লোরিয়ার কথা হয়। অবশেষে সবাই রাজী হয় পেঙ্গুইনদের খুঁজে বের করে আবার  নিউ-ইয়র্কে ফেরত যাবার।

এদিকে পেঙ্গুইনের দল মন্টি কার্লোতে এক কেসিনোতে জুয়া খেলতে আসে। এলেক্স ও তার দলবল পেঙ্গুইনদের খোঁজে সেখানে এসে পড়ে। কিং জুলিয়ান সেখানে ঘটায় অঘটন। প্রাণী নিয়ন্ত্রক দল সেখানে এসে পড়ে। শুরু হয় অভিযান। এলেক্সরা বাঁচতে আশ্রয় নেয় মৃতপ্রায় এক সার্কাস দলের কাছে। সেই সার্কাস দলের সাথে এলেক্সরা পুরো ইউরোপ ঘুরে বেড়ায়। পুনর্জীবিত করে ফেলে পুরো সার্কাসকে।

এদিকে এলেক্স পড়ে যায় সার্কাস জাগুয়ার জিয়া’র প্রেমে। মেলমেন ও গ্লোরিয়ার প্রেম বাড়তে থাকে। কিং জুলিয়ানও প্রেমে পড়ে যায়। শুরু হয় মজার সব ঘটনা।

এক্ষেত্রে ক্যাপ্টেনের সেরা উক্তি, “I hate to say this in american soil, but the Ruski is right.”

বাচ্চাদের জন্য যথেষ্ট হাসির এই চলচ্চিত্রটির রেটিং হওয়া উচিত আট।

 

 

কলম্বিয়ানা

কেটালিয়া।
বোগোতা শহরে বাবা-মা’র সাথে থাকতো সে। গোছানো সংসার। বাবা  মাদক ব্যবসায় জড়িত।
হঠাৎ করেই নিজের চোখের সামনে বাবা-মাকে খুন হতে দেখে। তারপর নিজের বুদ্ধিতে আর এফবিআই’র সহায়তায় সে চলে আসে আমেরিকায়। সেখানে এফবিআই’র চোখকে ফাঁকি দিয়ে সে চলে আসে তার চাচা’র কাছে।  নিজেকে গড়ে তোলে একজন গুপ্তঘাতক হিসেবে। নেওয়া শুরু করে পরিবারের হত্যার প্রতিশোধ।

কাহিনী যথেষ্ট সাদামাটা। জো সালদানা প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের তুলনায় এখানে তাকে যথেষ্ট আনাড়ি মনে হয়েছে। সময় কাটানোর জন্য ঠিক থাকলেও চলচ্চিত্রটি দ্বিতীয়বার দেখার মত নয়।
আইএমডিবি রেটিং এ ছয় দশমিক  দুই পাওয়া চলচ্চিত্রটি প্রথম ফেঞ্চ ভাষায় মুক্তি পায়।