All about US gun violence in 5 infographics

Another day in America, another mass shooting.

Mass shootings are becoming more common in the States. Here are 5 infographics that tell you almost everything you need to know about USA and GUNS.

 

20150808_woc359_4
Credit: www.economist.com
massshootings
Credit: www.forbes.com
chartoftheday_3845_us_deaths_from_gun_violence_and_terrorism_in_comparison_n
Credit: www.statista.com
65077559_us_gun_compared_624
Credit: www.bbc.com

a total of 166 mass shootings that occurred in the U.S. and 13 other countries from 2000-2014. Of the 166 mass shootings, the U.S was responsible for 133 for a 0.15 fatality rate per 100,000 people

guns-per-capita-vox
Credit: www.vox.com
Advertisements

আমরিকা, ওপিটি ও এইচওয়ানবি

সবাই পিএইচডি মাস্টার্স করতে আমেরিকা আসতে চায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই যেকথাগুলো বলা হয় না, তা হচ্ছে শিক্ষা পরবর্তী চাকরীর কথা। চাকুরীর বাজার নিয়ে যদিও প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু ইমিগ্রান্ট হিসেবে চাকুরি পাওয়ার সম্ভাব্যতা এবং এ সংক্রান্ত নিয়ম কানুন নিয়ে তেমন কিছু চোখে পড়েনি। মোটামুটি অধিকাংশ বাংলাদেশি  F-1 ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসে, যা হচ্ছে ছাত্রত্ত ভিসা। F-1 ছাড়াও রয়েছে J-1, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে আসা ছাত্র ছাত্রীরা। বলে রাখি, F-2 ভিসায় চাকুরি করা না গেলেও, J-2 ভিসায় কাজ করা যায়। প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ৬৫ হাজার ইমিগ্রান্টকে চাকুরিতে নেয় লটারির মাধ্যমে। তবে এর মধ্যে ১০,০০০ বাদ দিয়ে রাখা ভাল, সিঙ্গাপুর আর চিলির সাথে বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি আছে, সেটার আওতায় কয়েক হাজার অভিবাসীকে চাকরিতে নেওয়া হয়। সাথে আরও ২০ হার জনের কোটা মাস্টার্স ছাত্রদের জন্য। এই ৮৫ হাজার হচ্ছে ফর প্রফিট বা মুনাফার জন্য কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থার জন্য।

নট ফর প্রফিট বা নন-প্রফিট গ্রুপের জন্য কোন কোটা নেই ( এর মধ্যে NGO University ইত্যাদি রয়েছে)। এখানে বলে রাখি, প্রতিষ্ঠান আপনার হয়ে কর্মসংস্থান ভিসার আপিল করবে। for- profit প্রতিষ্ঠানসমূহের আপিলের সময় ১ এপ্রিল সশুরু হয়। কিন্তু প্রথম সপ্তাহে মোটামুটি সব কাজ শেষ করে সবাই, ২০০৮ সালে ৫ দিনের জন্য আবেদনপত্র নেওয়া হয়েছিল। ইমিগ্রেশনে যুক্ত আইনজীবীরা সাধারণত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আপিল করার পরামর্শ  দিয়ে থাকে।  নন- প্রফিট এর জন্য কোন নির্ধারিত সময় নেই।  যেকোনো সময় আপিল করা যায়, এক মাত্র কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তা করতে পারে।  লটারির ফলাফল দিতে প্রায় অক্টোবর মাস পর্যন্ত সময় লাগে। এবং নিয়োগের সম্পূর্ণ  কাজ শেষ করতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লাগে। ১লা অক্টোবরের আগে কর্মসংস্থান ভিসায় কাজ করা যায় না।

কোম্পানি চাইলেই যে লটারিতে যাবে তা নয়। কোম্পানিকে নিম্নলিখিত জিনিসের ব্যবস্থা করতে হবে –

১। প্রথমে দেখাতে হবে আপনার যোগ্যতা সম্পন্ন লোক যুক্তরাষ্ট্রে নেই।

২। সকল ফর্ম কোম্পানি কর্তৃক পূরণ ও দাখিল করতে হবে।

৩। মাস্টার্স বা ব্যাচেলর পর্যায়ের চাকুরিতে পিএইচডি যোগ্যতাসম্পন্ন কাউকে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

৪। পুরো প্রস্তুতিতে কোম্পানিকে প্রায় ২৫০০ ডলার খরচ করতে হবে।

আরও জানতে পারবেন লিঙ্ক এক এবং দুইতে

এখন সমস্যা সমূহের কথা বলা যাক। প্রথমত  প্রতিষ্ঠান চাইলেই আপনাকে নিতে পারবে না। পুরো বিষয়টির পূর্বে প্রস্তুতির ব্যাপার আসে। বড় কোম্পানি ( উদাহরণ ইন্টেল) হলে ভিন্ন কথা, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের কোন নিয়োগ হলে অন্য কথা।  ছোট কোম্পানিগুলো এজন্য অনেকক্ষেত্রে নিয়োগ দিতে চায় না।

দ্বিতীয় চাকরি না পেলে কি করবেন? যদি দেশে চলে যেতে না চান তবে ওপিটি (optional practical training) এর আওতায় ১২ মাস (স্টেম বিষয়ের ক্ষেত্রে ২৯ মাস) কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পাস করার ন্যূনতম দুই মাস আগে এর জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

এখানে একটা বিষয় মাথায় রাখা দরকার। ওটিপি এমন সময়ে শেষ করার উচিত যাতে তা কোনভাবে অক্টোবরের আগে না হয়। কারণ আপনি এইচওয়ানবি ভিসায় কাজ করতে পারবেন ১লা অক্টোবর থেকে।

পরের সমস্যা আপনাকে নিয়োগের সময় নিয়োগকর্তাকে দেখাতে হবে সেই পদে নিয়োগ দেবার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতাসম্পন্ন কেউ নেই। পরের বিষয় মাস্টার্স পাস করা কোন পদের জন্য পিএইচডি লাভকারী কাউকে নেওয়া যাবে না।

timeline

ওপিটি এর কথায় একটু আসা যাক। ওপিটিতে থাকা অবস্থায় চাকুরি থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। ১২ মাস অথবা ২৯ যেকোন ক্ষেত্রেই মোট ৬০ দিন বেকার থাকা যাবে। এটা সর্বমোট হিসাব। যদি চাকরি না পান তবে সেক্ষেত্রে আপনি চাকরির চেষ্টা করছে সে সংক্রান্ত কাগজ সাথে রাখতে হবে (ঊদাহরণঃ চাকরির আবেদন, ইন্টারভিউ এর ইমেল ইত্যাদি)। ওপিটি মূলত দুই ধরনের পড়ালেখা করা অবস্থায় এবং পাস করার পরবর্তী সময়ে। কিন্তু মোট সময় হিসাব হবে সবসময় ১২ বা ২৯ মাস। সাময়িক বা পার্টটাইম হলে সময় অর্ধেক হিসাব করা হয় অর্থাৎ যদি পার্টটাইম ৪ মাস হয় তবে দুই মাস হিসাব করা হবে। নাকি থাকবে ১২ মাস। এই দুই মাস পাস করার আগে হোক আর পরে হোক মূল ওপিটি থেকে বাদ যাবে যা কিনা ১২ মাস বা ২৯ মাস।

ওপিটি নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে লিঙ্ক এক, দুই, তিনচারে ক্লিক করতে পারেন।

এইচওয়ানবি ভিসাতে কোটার আবার বিভিন্ন ক্যাটেগরী আছে, তা ব্যাখ্যা পরবর্তীতে করবো আপাতত লিঙ্ক দিয়ে রাখছি। এই লিঙ্কে পাওয়া যাবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কর্তৃক প্রকাশিত মাসিক ভিসা বুলেটিন। এছাড়াও এইচওয়ানবি সম্পর্কিত সরকারি ওয়েবসাইটে অন্যান্য তথ্য পাবেন।

non profit থেকে profit, profit থেকে non-profit ভিসায় যাবার ঝামেলা রয়েছে। সেসম্পর্কে বিস্তারিত অন্য একদিন। এই পোস্টটি আগামী সপ্তাহে সম্পাদনা করা হবে।

Ukraine Crisis Lecture at University of South Carolina

Wednesday, January 28, 2015 – 2:30pm at University of South Carolina

Matthew Rojansky, Director of the Kennan Institute working in Wilson Center in Washington gave a lecture on Ukraine Crisis. The talk was sponsored by Russian and Eurasian Studies of University of South Carolina.

The death toll from the war in Ukraine’s southeast is in the thousands, the government in Kyiv is on the edge of bankruptcy, and mutual hostility between Russia and the West has not been so intense for more than a quarter century. The intensity of this ongoing crisis threatens not only to upend the precarious security balance in the post-Soviet space and beyond, but to reinforce a serious challenge to the very political and economic system that Ukrainians embraced when they turned out to support the so-called Euro-Maidan by the hundreds of thousands a year ago.

With poor prospects for a comprehensive diplomatic settlement, and political pressure for escalation from all sides, what can be done to contain the damage?  Is crisis and confrontation the new normal for Europe and Eurasia, and if so will these problems come home to roost in the West?

Matthew lived in Kiev close to where it all started in May 2013, though he lived there a year before.

In his opening remark, he talked about the corruption, the main reason why people took the streets of Kiev in the first place. The lavish lifestyle of Viktor Yanukovych, and the poverty of the country was portrayed through his photos of the time he was in Ukraine.

Then there was the European Union joining deal from which Viktor Yanukovych backed up. At this point, Matthew talked about the perception of people, which is joining EU means better life than before. That lead to my first question, which I asked later on. Is joining EU means well-off? For example, Bulgaria is suffering largely after joining EU. Greece is a more recent example.

Then Russia was backing Ukraine on this. The reasons are quite obvious, NATO for the last 25 years has been trying to increase influence on the belly of Russian peninsula. And Putin do not want it right on the western side of Russia.

Then protest did get massive and Viktor Yanukovych at a point fled the country. The south western side of the country was taken at first by separatist and later, it was taken peacefully by Russia.

Now, why Putin had to intervene at this? There were three core explanation, which are not exactly international:

1) the regime survival, the same can happen to PutinPutin‘s Image about religion

2) Putin‘s credibility: What has happened in Ukraine, can in a sense give an up rise in Russia as well. Though there is a difference, Viktor Yanukovych was afraid of the oligarchs in Ukraine, but Putin is strong against them, and he made sure that they are not at top of the things.

3) Putin‘s geopolitical vision: euro-Asian zone, free trading space.

Now, could Ukraine have tried to take take back Crimea? Ukrainian military had 35000 military troops and 5000 were ready at the time, which is even less than the reserve force of South Carolina.

Present scenario: Donetsk and the eastern south part is now almost controlled by separatist which is now more than 10% of the land mass. We see the fighting in Donetsk right now, the airport is completely demolished, which was built in 2012. It had state of the art technology.

The protest was about a new Ukraine. But now, Ukrainian economy is totally destroyed. 700000 people have left Ukraine. Less than 10 million dollar left in Bank for the government. And is the new regime trustworthy? Candy man, Petro Poroshenko is now the president, who used to be with everybody. He is a billionaire. He was in all of the previous two government. Ihor Kolomoyskyi, who is also a billionaire and Jew, has recently became governor of Dnipropetrovsk and have 5000 private soldiers under him. All this tells us how much change has come in new Ukraine.

Ukraine’s media is mostly run by Oligarch and these are in Russian language, because that is the most popular language. Then, these Oligarchs have their own battle. Their media reflect their own opinion. Whose media to trust?

Petro Poroshenko came to United States to ask for weapons, money and to thank United States. To Matthews opinion, it will be a disaster to help with those, they need money for humanitarian reason not war. Also, it is not known what is happening at the border, the Russian Authority says they are not sending troops and people are joining voluntarily at the war.

He was asked What not do, what might be a sensible strategy for dealing with the situation. He suggested that international world should not do silly, things. Not to put new ideas in place without consulting Ukraine or Russia. Cause there is no easy and early solution of this conflict. For example, Hungary recently announced they will give passports to Ukrainian people, who have Hungarian tie. Such things can damage the process of peace.

Media war: Media has to play reliable, authentic role.  Whats happening at border, is something we need to know. West can intervene, international observers can be used.

Question was asked about sanctions: did sanction work? If used for moral reason, maybe. But economically and potentially it does not weaken Russia in the long run. Because the world needs oil and Russia has oil.

Can Ukraine succeed in keeping it together? A complex scenario in front of Ukraine. Often the people in the ground level do not take orders from the top, recent incidents of killing head of the team of commander has surfaced that pretty much. Anti corruption laws has not been imposed yet. Corruption will be hard to deal with, as people is used to. More time needed to change the mentality. Biggest problem according to Matthew is any idea coming without both sides consent, is dangerous. Like joe bidel said in about Iraq, slice iraq into shia, sunni, kurdis parts.
One of the thing that adds fuel to this complexity is ethnicity. Ethnicity is something that has a complex place in this, because most Ukrainians speak Russian. And they have ties to Russia in one way or another.
Private Military is taking opportunity and private contractors are taking part in this war. What will happen to them if the war stops as they get paid now? The incentive for fighters is different to Kievs incentive because of their difference in opinion, another reason why soldiers often do not listen to their commanders.

Is the net affect is to bring international world in it? What are the practical problem to international world. Right now, the problem is the fear of spreading the violence. The International World should not do things for showing.  Doing no harm, avoiding ripple effect as strategic patience should be the key for International community.

Is it predictable when this can end? No. This is something unique of it’s kind. The Russia denied it’s involvement with separatist, but they have never tried to stop the conflict. AS United States chance of going into Ukraine is 0 and Europe much less likely to get into war, the timeline seems to increase for the war in Ukraine.

Matthew’s lecture, brought a lot of enlightenment among the students. I would like to write an opinion piece on that later.

USC Concert Choir: Christmas concert 2014

Not every year, I spend my December out of country. In fact this is the only time, I am out of Bangladesh.

Columbia, is a college town, but is full of warmhearted people. I have made many friends within my short time, who have actually made this place enjoyable. I went to enjoy the choir with some of them.

This is kind of tradition. Every year, USC music school performs Christmas concerts and this year, they started with first Presbyterian Church.

First Presbyterian Church

The programme covered music from Renaissance, Baroque, Classic and the romantic period. For me, Randall thompson’s ‘Aleeluia” is a choral classic which was the second piece familiar to me, after Ave Maria. Coincidentally, ‘The Newsroom’ series used the piece for one of their third season episode, which I watched couple of days back.

The choir

Here is one Christmas choir recorded from the programme.